Functions of Engine Oil

ইঞ্জিন অয়েল হল ইঞ্জিনের চালিকাশক্তি। রক্ত যেভাবে আমাদের হৃদযন্ত্রে প্রবাহিত হয় সেভাবেই ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং কাম্যভাবে কাজ করতে এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি সম্পন্ন করে। এই কাজগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  • ল্যুব্রিকেশন
  • ইঞ্জিন পরিষ্কার, সিল করা এবং ঠান্ডা করা
  • আটকে যাওয়া, দহনের ফলে অ্যাসিড এবং মরচের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।

ইঞ্জিন অয়েল ক্যামশ্যাফ্ট, ক্র্যাঙ্কশ্যাফ্ট, টাইমিংয়ের বেল্ট, অয়েল প্যান, অয়েল ফিল্টার, পিস্টন এবং ভালভ সহ ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনের চলমান অংশগুলোকে ঘর্ষণ এবং আটকে থাকা হ্রাস করে মসৃণ ভাবে কহালনা করতে ল্যুব্রিকেশন সরবরাহ করে। অয়েল পিক আপ নেয় এবং ইঞ্জিন পরিষ্কার করতে স্যুট এবং নোংরা নষ্ট করে অন্য দিকে ফাঁকগুলো ভরাট করে গ্যাস বেরোনোর পথ আটকে দেয়। এটি অংশগুলোর ফাঁক ভরাট করে উত্তাপও শোষণ করে, অন্য দিকে একসাথে মরচে পড়া এবং ক্ষয় হওয়া থেকে দহনের ফলে অ্যাসিডকে প্রতিরোধ করে।

 

How Gasoline Engine Works

একটি গ্যাসোলিনের ইঞ্জিন বাতাস এবং জ্বালানীর মিশ্রণের একটি পুনরাবৃত্ত দহনের মাধ্যমে শক্তি তৈরি করে। ইঞ্জিনটি একটি ফিক্সড সিলিন্ডার এবং চলমান পিস্টন সমন্বিত। প্রথমে গ্রহণের প্রক্রিয়াটি ঘটে যেখানে জ্বালানী বাতাসের সাথে মিশ্রিত হয় এবং সিলিন্ডারে চালনা করা হয়। তারপর চলমান পিস্টনটি জ্বালানীর সাথে বাতাসের মিশ্রণকে সঙ্কুচিত করে যার ফলে দহনের কারণ হতে স্পার্ক হয়। গ্যাসের দহনের প্রসারণ পিস্টনটি অবিরাম পুনরাবৃত্তিতে পাওয়ার স্ট্রোক চলাকালীন পুশ করে।

 

New Generation Engine Oils

আধুনিক ইঞ্জিন অয়েল নিম্ন নির্গমন পূরণ করতে পরিকল্পিত। ইঞ্জিনগুলোতে উল্লেখযোগ্য বিকাশ নতুন প্রজন্মের ইঞ্জিন অয়েলের প্রয়োজনীয়্তা তৈরি করেছে। ইঞ্জিনগুলোতে এই পরিবর্তন তেলের গুণমান এবং কার্যকারিতার উপরে আরো জোর দেয়। নতুন প্রজন্মের ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনের পাওয়ার বাড়ায়, পাম্পের আকার ও তাপমাত্রা হ্রাস করে এবং তেল উপযোগ হ্রাস করে দীর্ঘতর তেল নির্গমনের বিরামকালের সুযোগ দেয়।

 

Causes of Engine Failures

সঠিক তেলটি ইঞ্জিনের ব্যর্থতা রোধে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইঞ্জিন ব্যর্থতার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • যথাযথ নয় এমন রক্ষণাবেক্ষণ
  • সংক্রামিত অয়েল পরিবর্তন করতে ব্যর্থতা
  • নোংরা এবং বার্নিশ জমা হওয়া
  • অক্সিডেশন এবং অয়েল ঘন হওয়া
  • অপ্রচলিত উপাদান
  • অ্যাডিটিভের বন্টন
  • অয়েল পাম্পের ব্যর্থতা

এছাড়াও ইঞ্জিন অয়েল অবশ্যই শেষ হওয়ার আগে পরিবর্তন করতে হবে। তেল শেষ হওয়ার লক্ষণগুলোর মধ্যে রযেছে:

  • নোংরা জমা হওয়া
  • ময়েশ্চার সংক্রমণ
  • জ্বালানীর সংক্রমণ
  • অয়েলের থার্মাল অক্সিডেশন
  • অ্যাডিটিভ উপযোগ

 

অয়েল নষ্ট হওয়ার লক্ষণগুলো কোনো অসুরক্ষিত ইঞ্জিনের কারণে যখন নোংরা জমা হয় তখন দেখা যায়। একটি ইঞ্জিন অয়েলের গুণমান এবং সান্দ্রতা আন্তর্জাতিক ভাবে মানকযুক্ত লিপি অনুসারে নির্ধারিত হয়।

Choosing the Right Engine Oil

ইঞ্জিনের SAE সান্দ্রতার লিপি শনাক্ত করে সঠিক ইঞ্জিন অয়েলটি বেছে নেওয়া এবং গ্রেডের লিপি (API, ILSAC, ACEA) সঠিক অয়েল চয়ন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ইঞ্জিন অয়েলের সান্দ্রতা উন্নত দেশগুলোতে সাংখ্যিক ভাবে SAE (সোসাইটি অফ অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ার্স) ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়। কম সংখ্যার স্বল্প তাপমাত্রার সান্দ্রতা শীতল অঞ্চলের পক্ষে উপযুক্ত, অন্যদিকে বেশি সংখ্যার উচ্চ-তাপমাত্রার সান্দ্রতা উষ্ণ অঞ্চলের পক্ষে উপযুক্ত।

 

ট্রান্সমিশন এবং ল্যুব্রিকেন্টস

সঠিক ট্রান্সমিশন ল্যুব্রিকেন্ট বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কারণ ট্রান্সমিশন প্রক্রিয়াটিতে অনেক বেশি সংখ্যক স্লাইডিং পার্ট যুক্ত যেখানে ল্যুব্রিকেশন আবাশ্যিক। ট্রান্সমিশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটি ইঞ্জিন থেকে মোটর যানের চাকায় পাওয়ার স্থানান্তরিত হয়। ট্রান্সমিশনের তিনটি উপায় রয়েছে: অটোমেটিক ট্রান্সমিশন (AT), কন্টিনিউয়াসলি ভ্যারিয়েবল ট্রান্সমিশন (CVT) এবং ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন (MT): আর প্রত্যেকটি প্রকারের নিজস্ব ল্যুব্রিকেন্ট কর্মক্ষমতার আবশ্যিকতা রয়েছে। AT-এর পিছলে যাওয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য অটো ট্রান্সমিশন ফ্লুইড (ATF) প্রয়োজন। অন্যদিকে CVT-এর বেল্ট-ড্রাইভ CVT-এর জন্য স্পেশালাইজড CVT ফ্লুইড (CVTF) এবং টোরোডিয়াল CVT-এর জন্য বিশেষীকৃত টরোডিয়াল CVTF আবশ্যক। উত্তাপ চালিত হওয়ার ফলে অক্সিডেশন, অ্যাডিটিভ উপযোগ এবং বিভাজিত হওয়া এবং আর্দ্রতা, আটকে যাওয়া এবং নোংরা হওয়ার ফলে অয়েলের অবনতি ঘটে এবং অ্যাক্সিলারেশন কমে যাওয়া, মাইলেজ কমে যাওয়া এবং শিফ্ট শক বেড়ে যাওয়ার মাধ্যমে এগুলো পরিলক্ষিত হয়।

সোশ্যাল শেয়ারিং